রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টের সংস্কার ইস্যুতে চলা বিতর্কের মধ্যেই বিরোধীদল ও সরকার দলীয় এমপিরা সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় একে অপরের ওপর লাফিয়ে পড়তেও দেখা যায়। পাশাপাশি কিল-ঘুসিও মারেন। স্পিকারের আসনের পাশেই আইনপ্রণেতারা এমন কাণ্ড ঘটান।
পার্লামেন্টের সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নতুন সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ভোট শুরুর আগেই পার্লামেন্ট কক্ষের বাইরে কয়েকজন আইনপ্রণেতা বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক সময় একে অপরের মাঝে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এরপর তারা স্পিকারের আসনের চারপাশে উঠে আসেন। কেউ কেউ ধাক্কা দিয়ে সহকর্মীকে মেঝেতে ফেলে দেন। কেউ টেবিলের ওপর উঠে পড়েন।
যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে বিকেলের দিকে আবারও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন আইনপ্রণেতারা বলে জানায় রয়টার্স।
গত জানুয়ারিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লাই চিং। কিন্তু তার ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।
অন্যদিকে পার্লামেন্টে প্রধান বিরোধীদল কুমিংতানের আসন সবচেয়ে বেশি। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তারা সরকার গঠন করতে পারেনি। এ কারণেই সরকারের ওপর পার্লামেন্টের প্রভাব বাড়াতে কিছু সংস্কার প্রস্তাব দেয় বিরোধীরা। আর এই নিয়েই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন তারা।